গ্রামের পুকুরঘাট: জল, সংসার ও সামাজিক জীবনের কেন্দ্র
গ্রামবাংলার পুকুরঘাট শুধু জল নেওয়ার জায়গা নয়, এটি সংসার, কথা ও সামাজিক জীবনের কেন্দ্র। ছোট ঘাটে প্রতিদিন গ্রামের জীবনের নানা ছবি ফুটে ওঠে। সকালে মহিলারা কলস বা বালতি নিয়ে জল আনতে আসেন। বাসন মাজা, কাপড় কাচা ও স্নানের কাজ ঘাটেই হয়। শিশুরা সাঁতার কাটে ও খেলে।
- লেখক:
- SwipeNews24 ডেস্ক
- প্রকাশিত:
- হালনাগাদ:
- সূত্র:
- SwipeNews24 ডেস্ক

ঘাটের সিঁড়ি বা বাঁধানো পাড়ে বসে মহিলারা গল্প করেন। গ্রামের খবর, বিয়ের কথা ও সুখ-দুঃখের আলোচনা এখানেই চলে।
পুকুর গ্রামের জীবনধারার অংশ। এতে মাছ চাষ হয়, হাঁস সাঁতার কাটে এবং কখনও সেচের কাজও হয়। পুকুরপাড়ে নারকেল, তাল ও আম গাছ ছায়া দেয়। সন্ধ্যায় প্রদীপ ও পাখিদের কলকাকলিতে ঘাট আরেক রূপ নেয়।
উৎসবে পুকুরঘাটের গুরুত্ব বাড়ে। ছটপুজো, ভাসান, ও বিভিন্ন ব্রতে ঘাটে পুজো দেওয়া হয়। দুর্গাপুজোর পর গ্রামের প্রতিমা অনেক সময় পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়।
কিন্তু পুকুরের জল দূষণ ও ভরাটের হুমকি বাড়ছে। প্লাস্টিক ও আবর্জনা ফেললে পুকুর নষ্ট হয়। বাড়িতে নলকূপ ও কলের জল আসায় ঘাটের ব্যবহার কমছে। জলাশয় সংরক্ষণ জরুরি।
গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে পুকুর পরিষ্কার ও সংস্কার করতে পারেন। একশো দিনের কাজ প্রকল্পে এই কাজ হয়। পুকুর বাঁচলে গ্রামের জল, মাছ ও সংস্কৃতি বাঁচে।