কলকাতা হাওয়া অফিস দুর্গাপুজো নিয়ে দিল খুশির খবর, নিম্নচাপ নেই, তবে পঞ্চমী থেকে একাদশী উত্তর থেকে দক্ষিণ কখন কোথায় বৃষ্টি
কলকাতা হাওয়া অফিসের স্বস্তির খবর! পুজোয় নেই বড় নিম্নচাপের আশঙ্কা, পঞ্চমী থেকে একাদশী কোথায় বৃষ্টি? কলকাতা: দুর্গাপুজোর আনন্দে কি বাধা হয়ে দাঁড়াবে বৃষ্টি? পঞ্চমী থেকে একাদশী পর্যন্ত আকাশের মুখভার থাকবে, নাকি নিশ্চিন্তে ঠাকুর দেখতে বেরোনো যাবে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বাংলার মানুষের মনে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্
- লেখক:
- SwipeNews24 ডেস্ক
- প্রকাশিত:
- হালনাগাদ:
- সূত্র:
- SwipeNews24

কলকাতা: দুর্গাপুজোর আনন্দে কি বাধা হয়ে দাঁড়াবে বৃষ্টি? পঞ্চমী থেকে একাদশী পর্যন্ত আকাশের মুখভার থাকবে, নাকি নিশ্চিন্তে ঠাকুর দেখতে বেরোনো যাবে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বাংলার মানুষের মনে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা এবং উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে পুজোর মুখে। নিম্নচাপের আশঙ্কা না থাকায় বড়সড় দুর্যোগ নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি মিললেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে পুজোর পরিকল্পনা করার আগে জেনে নেওয়া দরকার, কোন দিন কোথায় বৃষ্টি হতে পারে এবং কোন সময় আবহাওয়া তুলনামূলক ভালো থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিম্নচাপ নেই, তবুও কেন বৃষ্টির সম্ভাবনা?
দুর্গাপুজোর সময় আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তনও উৎসবের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কলকাতা ও শহরতলিতে প্যান্ডেল হপিংয়ের জন্য হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নামেন। বৃষ্টি হলে যানজট, জল জমা এবং মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই পুজোর আগে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসের দিকে নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ থেকে পুজো উদ্যোক্তা—সকলেই।
বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী নিম্নচাপ তৈরি হলে তার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে একটানা বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব না থাকলেও বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি এবং স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরির কারণে কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে।
সাম্প্রতিক পূর্বাভাসের ইঙ্গিত অনুযায়ী, পুজোর শুরুতে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সব জেলায় একই রকম আবহাওয়া থাকবে না। কোনও এলাকায় আকাশ মেঘলা থাকলেও অন্য এলাকায় রোদ দেখা যেতে পারে। আবার কোথাও অল্প সময়ের জন্য বৃষ্টি হলেও সারাদিন আবহাওয়া খারাপ থাকবে, এমনটা নয়।
তাই নিম্নচাপের আশঙ্কা কম থাকাকে স্বস্তির খবর বলা গেলেও পুজোর প্রতিটি দিন বৃষ্টিমুক্ত থাকবে, এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না।
মহাপঞ্চমীতে কেমন থাকবে আবহাওয়া?
পুজোর প্রস্তুতি শেষ করে মহাপঞ্চমী থেকেই অনেকে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়েন। নতুন পোশাক, আলোয় সাজানো মণ্ডপ এবং বন্ধুদের সঙ্গে রাতভর ঘোরাঘুরি—সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়ে যায়।
এই সময় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং আশপাশের কিছু এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখা দরকার। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের কিছু এলাকাতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।
তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেই যে সমস্ত জায়গায় একই সময়ে বৃষ্টি হবে, তা নয়। স্থানীয় আবহাওয়ার উপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
যাঁরা পঞ্চমীর দিন থেকেই প্যান্ডেল হপিং শুরু করবেন, তাঁদের সঙ্গে ছাতা রাখা ভালো। দূরের মণ্ডপে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বেরোনোর আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ খবর দেখে নিলে সুবিধা হবে।
মহাষষ্ঠীতে কলকাতার আকাশ নিয়ে কী ইঙ্গিত?
মহাষষ্ঠী থেকেই পুজোর ভিড় বাড়তে শুরু করে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কলকাতার বিভিন্ন মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। তাই এই দিনে বৃষ্টি হবে কি না, তা নিয়ে আগ্রহ স্বাভাবিক।
আবহাওয়ার সম্ভাব্য পরিস্থিতি অনুযায়ী, কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষভাবে নজরে রাখা দরকার।
তবে বৃষ্টি হলেই পুজোর আনন্দে বড়সড় বাধা পড়বে, এমনটা ধরে নেওয়ার কারণ নেই। অনেক ক্ষেত্রে অল্প সময়ের বৃষ্টির পর আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলে পরিস্থিতি বুঝে প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় ঠিক করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
কলকাতায় পুজোর সময় যানজট এমনিতেই বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে রাস্তায় গাড়ির গতি কমে যেতে পারে। তাই একাধিক মণ্ডপ ঘোরার পরিকল্পনা থাকলে হাতে অতিরিক্ত সময় রাখা ভালো।
মহাসপ্তমীতে কোথায় বৃষ্টির আশঙ্কা?
মহাসপ্তমীর সকালে অঞ্জলি থেকে শুরু করে রাতের প্যান্ডেল হপিং—সারা দিনই উৎসবের ব্যস্ততা থাকে। এই সময় দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে।
কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলির আবহাওয়ার দিকে নজর রাখা প্রয়োজন। তবে এই তালিকার প্রতিটি এলাকায় বৃষ্টি হবে, এমন কোনও নিশ্চিত পূর্বাভাস ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কয়েকটি এলাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে। পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে স্থানীয় আবহাওয়ার আপডেট দেখে নেওয়া জরুরি।
বৃষ্টির সময় বাইক বা স্কুটারে যাতায়াত করলে সাবধানে গাড়ি চালাতে হবে। ভেজা রাস্তায় হঠাৎ ব্রেক করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
মহাষ্টমী ও মহানবমীতে মিলবে স্বস্তি?
পুজোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলির মধ্যে মহাষ্টমী ও মহানবমী অন্যতম। অঞ্জলি, সন্ধিপুজো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রতিমা দর্শনকে ঘিরে এই দুই দিন মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় থাকে।
সাম্প্রতিক পূর্বাভাসে ১৯ ও ২০ অক্টোবরের দিকে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ এলাকায় তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়ার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সর্বত্র বৃষ্টি হবে, এমন ইঙ্গিত নেই।
এই পরিস্থিতি বজায় থাকলে অষ্টমী ও নবমীতে ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা করতে কিছুটা সুবিধা হতে পারে। তবে উপকূলবর্তী এলাকায় স্থানীয়ভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সকালে অঞ্জলি দিতে যাওয়ার আগে এবং সন্ধ্যায় বেরোনোর আগে আবহাওয়ার আপডেট দেখে নেওয়া ভালো। কারণ একই দিনে সকাল ও সন্ধ্যার আবহাওয়ায় পরিবর্তন হতে পারে।
বিজয়া দশমী ও একাদশীতে কী হবে?
বিজয়া দশমীতে সিঁদুরখেলা, দেবীবরণ এবং প্রতিমা নিরঞ্জনকে ঘিরে ব্যস্ততা থাকে। তাই এই দিনে বৃষ্টি হলে অনেক পরিকল্পনায় সমস্যা তৈরি হতে পারে।
সম্ভাব্য পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২১ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ এলাকায় মূলত শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির প্রবণতা কম থাকতে পারে।
২২ অক্টোবর একাদশীতেও দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ এলাকায় তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নতুন কোনও আবহাওয়া ব্যবস্থা তৈরি হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।
প্রতিমা নিরঞ্জন বা নদী ও জলাশয়ের কাছে কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সময় স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলা জরুরি। আবহাওয়া ভালো থাকলেও ভিড় এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলি অবহেলা করা উচিত নয়।
দক্ষিণবঙ্গের কোন জেলায় নজর রাখবেন?
দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া নিয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ কলকাতা ও উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে ঘিরে।
কলকাতা ও হাওড়া: পুজোর শুরুর দিকে মেঘলা আকাশ এবং বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে। পরবর্তী দিনগুলিতে তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া মিলতে পারে।
উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: কয়েকটি এলাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলবর্তী অংশে আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখা দরকার।
পূর্ব মেদিনীপুর: উপকূলের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় দিঘা বা আশপাশে যাওয়ার আগে আবহাওয়ার আপডেট দেখে নিন।
পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম: পুজোর শুরুর দিকে স্থানীয়ভাবে বৃষ্টি হতে পারে। তবে সব এলাকায় একই পরিস্থিতি থাকবে না।
হুগলি ও নদিয়া: বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে। নির্দিষ্ট দিনের পূর্বাভাস দেখে পরিকল্পনা করা ভালো।
পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বীরভূম: তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া থাকলেও স্থানীয়ভাবে মেঘ বা হালকা বৃষ্টি হতে পারে।
মুর্শিদাবাদ: জেলার বিভিন্ন এলাকায় আবহাওয়ার পার্থক্য হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট এলাকার আপডেট দেখা জরুরি।
উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন?
পুজোর সময় উত্তরবঙ্গেও বহু মানুষ বেড়াতে যান। দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স এবং শিলিগুড়িকে ঘিরে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন অনেকে। তাই পাহাড় ও সমতলের আবহাওয়া সম্পর্কে আগাম ধারণা থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের কয়েকটি এলাকায় পুজোর শুরুর দিকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।
অন্যদিকে, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে। তবে কোনও জেলার সব এলাকায় একই পরিস্থিতি থাকবে, এমনটা নয়।
পাহাড়ি এলাকায় আবহাওয়া দ্রুত বদলাতে পারে। শিলিগুড়িতে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও দার্জিলিংয়ে বৃষ্টি হতে পারে। তাই পাহাড়ে যাওয়ার আগে গন্তব্যের স্থানীয় পূর্বাভাস দেখে নেওয়া উচিত।
কলকাতার তাপমাত্রা কত থাকতে পারে?
বৃষ্টির পাশাপাশি তাপমাত্রা ও আর্দ্রতাও পুজোর আনন্দে প্রভাব ফেলে। কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা আনুমানিক ৩১ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে এবং রাতের তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে বলে সম্ভাব্য পূর্বাভাসে ইঙ্গিত রয়েছে।
তবে প্রকৃত তাপমাত্রা এর থেকে কিছুটা বাড়তে বা কমতে পারে। আকাশ মেঘলা থাকলেও বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে গরম অনুভূত হতে পারে।
দীর্ঘক্ষণ প্যান্ডেল হপিংয়ের সময় পর্যাপ্ত জল পান করুন। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ক্লান্তি দেখা দিলে বিশ্রাম নেওয়া দরকার।
পুজোর সময় কী কী সতর্কতা নেবেন?
বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা ভালো।
১. বাইরে বেরোনোর আগে আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস দেখে নিন।
২. সঙ্গে ছোট ছাতা বা বৃষ্টির উপযোগী পোশাক রাখুন।
৩. বৃষ্টির সময় ভেজা রাস্তায় বাইক বা স্কুটার ধীরে চালান।
৪. বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হলে খোলা মাঠ বা গাছের নিচে দাঁড়াবেন না।
৫. পাহাড় বা উপকূলবর্তী এলাকায় ভ্রমণের আগে স্থানীয় আবহাওয়ার খবর নিন।
৬. আবহাওয়া দফতর বা প্রশাসনের সতর্কতা জারি হলে তা মেনে চলুন।
৭. সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পুরনো আবহাওয়ার খবর যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না।
এক নজরে পঞ্চমী থেকে একাদশীর আবহাওয়া
- মহাপঞ্চমী: দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা।
- মহাষষ্ঠী: কলকাতা-সহ কিছু জেলায় মেঘলা আকাশ ও হালকা বৃষ্টি হতে পারে।
- মহাসপ্তমী: দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা; উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাতেও নজর রাখা দরকার।
- মহাষ্টমী: অধিকাংশ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে।
- মহানবমী: বৃষ্টির প্রবণতা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
- বিজয়া দশমী: দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ এলাকায় শুষ্ক আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
- একাদশী: উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ এলাকায় তুলনামূলক শুষ্ক আবহাওয়া থাকতে পারে।
এই দিনভিত্তিক বিবরণ সম্ভাব্য আবহাওয়ার সারাংশ। নির্দিষ্ট জেলায় বৃষ্টির সময় বা পরিমাণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দিনের সরকারি বুলেটিন দেখা জরুরি।
শেষ কথা
দুর্গাপুজোর আগে আবহাওয়া নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও বড়সড় দুর্যোগের আশঙ্কা কম থাকার ইঙ্গিত স্বস্তি দিচ্ছে। পুজোর প্রথম কয়েক দিনে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাতেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পরবর্তী দিনগুলিতে আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক থাকার ইঙ্গিত মিলছে।
অর্থাৎ, বৃষ্টির আশঙ্কা থাকলেও পুজোর আনন্দ পুরোপুরি মাটি হয়ে যাবে, এমনটা বলার কারণ নেই। শুধু আকাশের দিকে নজর রেখে এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ খবর জেনে পরিকল্পনা করলেই সুবিধা হবে।
পুজোয় ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা করুন, সঙ্গে রাখুন প্রয়োজনীয় সতর্কতা। কারণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস বদলাতে পারে, কিন্তু আগাম প্রস্তুতি থাকলে উৎসবের আনন্দ অনেকটাই নিশ্চিন্তে উপভোগ করা যায়।