সার্টিফিকেট যাচাই বা ভেরিফিকেশন কীভাবে করাবেন
সার্টিফিকেট যাচাই বা ভেরিফিকেশন মানে কোনো শিক্ষাগত নথি আসল কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিশ্চিত করা। চাকরি, উচ্চশিক্ষা, বিদেশ যাত্রা বা সরকারি আবেদনের সময় প্রায়ই এটি লাগে। নিয়োগকর্তা বা ভর্তির কর্তৃপক্ষ জাল সার্টিফিকেট এড়াতে নথি যাচাই করেন।
- লেখক:
- SwipeNews24 ডেস্ক
- প্রকাশিত:
- হালনাগাদ:
- সূত্র:
- SwipeNews24 ডেস্ক

সার্টিফিকেট যাচাই না হলে চাকরি বা ভর্তি আটকে যেতে পারে। জাল সার্টিফিকেট ব্যবহার আইনত গুরুতর অপরাধ।
যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সাধারণত এই রকম: যে প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফিকেট পেয়েছেন, তাদের কাছে আবেদন করতে হয়। বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেরিফিকেশন সেল থাকে। আবেদনের সঙ্গে সার্টিফিকেটের ফটোকপি, পরিচয়পত্র, কেন যাচাই দরকার তার পত্র এবং নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়।
কিছু বোর্ড অনলাইনে যাচাইয়ের সুবিধা দেয়। সিবিএসইসহ অনেকের ওয়েবসাইটে রোল নম্বর দিয়ে সার্টিফিকেটের সত্যতা দেখা যায়। ন্যাশনাল একাডেমিক ডিপোজিটরি বা এনএডিতে সংরক্ষিত ডিজিটাল সার্টিফিকেট সরাসরি যাচাই করা যায়। ডিজিলকারের নথিও বৈধ।
বিদেশে ব্যবহারের জন্য শিক্ষাগত নথির অতিরিক্ত অ্যাপোস্টিল বা দূতাবাস অনুমোদন লাগতে পারে। এর জন্য বিদেশ মন্ত্রক ও রাজ্য সরকারের নির্ধারিত দপ্তরে যোগাযোগ করতে হয়।
সময় লাগতে পারে, তাই আগে আবেদন করুন। দালাল বা মধ্যস্থ ব্যক্তির মাধ্যমে ভেরিফিকেশনের চেষ্টা করবেন না। সঠিক পথে আবেদন করলে সহজে ও নিরাপদে কাজ হবে। নথি সবসময় যত্নে রাখুন।